Tuesday, December 22, 2020

Jukes 2

 কাল আমার বিয়ে

রিন্তু: দ্যাখ দেখি কাণ্ড! কাল আমার বিয়ে। এদিকে মেয়েবাড়ি থেকে বলেছে বরযাত্রায় খুব বেশি লোক না নিতে। খুবই টেনশনে আছি।
শফিক: কেন? টেনশনের কী আছে?
রিন্তু: বাবা আমাকে নিয়ে যাবেন কি না কে জানে!

গোবরের মতো স্বাদ

নতুন বউয়ের রান্না করা খিচুড়ি মুখে দিয়েই মুখ কুঁচকালেন স্বামী। বললেন, ‘কী খিচুড়ি রেঁধেছ? একদম গোবরের মতো স্বাদ।’
বউ বললেন, ‘হায়! এই লোক না জানি আর কী কী খেয়ে দেখেছে!’

হোস্টেলওয়ার্ক


শিক্ষক: ইমন, তুমি হোমওয়ার্ক করোনি কেন?

ইমন: স্যার, আমি তো হোস্টেলে থাকি। আপনি হোমওয়ার্ক করতে বলেছেন, হোস্টেলওয়ার্ক তো করতে বলেননি।

বিজ্ঞাপন

জনের কান্না

পান করতে করতে চিৎকার করে কাঁদছিল জন। একজন জিজ্ঞেস করল, ‘কী, কাঁদছ কেন?’

জন বলল, ‘যে মেয়েটাকে ভোলার জন্য পান করছি, তার নাম মনে পড়ছে না!’

ঠান্ডা না গরম?

হরিপদ বেজায় কৃপণ। একদিন তাঁর বাড়িতে হাজির হলেন তাঁর বন্ধু শশধর।

শশধর: কিরে হরিপদ, তোর বাড়িতে এলাম, কিছু খাওয়াবি না?

হরিপদ: কী খেতে চাস, বল। ঠান্ডা, না গরম?

শশধর: নিয়ে আয়। ঠান্ডা গরম দুটাই খাব।

হরিপদ হাঁক ছাড়লেন, ‘কই রে জগাই, ফ্রিজ থেকে এক গ্লাস ঠান্ডা পানি আর চুলা থেকে এক গ্লাস গরম পানি নিয়ে আয়!’

পাশের বাসার রুমকী

মুখ ঝামটা মেরে পাপিয়া বেগম তাঁর ছেলে অন্তুকে বললেন, ‘নালায়েক! তুই আবার ফেল করেছিস? পাশের বাসার রুমকীকে দেখ, কত্ত ভালো রেজাল্ট করেছে ও!’

অন্তু: ওকে আর নতুন করে কী দেখব? পরীক্ষার হলে বসেও ওকে দেখছিলাম বলেই তো আজ এই দশা!

সুন্দর লাল মুরগি

নিজের দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া গাড়িটার পাশে বসে বিলাপ করে কাঁদছিল সর্দারজি, ‘আমার মুরগিটার কী হলো গো! আমার সুন্দর লাল মুরগি!’

এক পথচারী দেখে থমকে গেলেন। বললেন, ‘সে কী সর্দারজি! আপনার এত দামি গাড়ির এই হাল হলো কী করে?’

‘আর বলবেন না, গাড়িটা রাস্তার পাশে রেখে আমি গিয়েছিলাম একটু দোকানে। কথা নেই বার্তা নেই, এক ট্রাকড্রাইভার তার বেঢপ ট্রাকটা আমার গাড়ির ওপর উঠিয়ে দিল। আর গাড়ির পেছনে থাকা আমার মুরগিটা গেল মরে। ও আমার সুন্দর লাল মুরগি! কী হবে আমার!’ বলে আবার বিলাপ করে কাঁদতে লাগলেন সর্দারজি।

পথচারী ভ্রু কুঁচকে বললেন, ‘এত দামি গাড়িটা একেবারে ভেঙেচুরে গেল, আর আপনি কিনা মুরগির জন্য কাঁদছেন?’

সর্দারজি বললেন, ‘আরে বোকা, গাড়ি দিয়ে কী হবে? গাড়ি তো আর প্রতিদিন দুটা করে ডিম দেয় না!’

Friday, December 18, 2020

Jokes

একটা প্লেন ৫ জন যাত্রী নিয়ে ক্র্যাশ করার মুহূর্তে প্লেনে মাত্র ৪ টা প্যারাসুট।ছিল ৫ জনের ১ জন সাকিব আল হাসান “আমি বিশ্বের ১ নম্বর অলরাউন্ডার, আমাকে দেশের জন্য বাঁচতে হবে” বলে প্যারাসুট নিয়ে লাফ দিল।
২য় জন শাকিব খান “আমি নাম্বার ওয়ান শাকিব খান, ইয়া..." বলে প্যারাসুট নিয়ে লাফ দিল।
৩য় জন অনন্ত জলিল। যে বলে অসম্ববকে সম্বব করাই অনন্তের্,কাজ,,,, এই বলে কথা শেষ করার আগেই প্যারাসুট নিয়ে লাফ দিল।
বাকি রইল কাবিলা আর স্কুল পড়ুয়া একটি মেয়ে।
কাবিলা বলল, “খুকি, তুমি প্যারাসুট নিয়ে লাফ দাও, আমি তোমার জন্য আমার এ ভবঘুরে জীবন উৎসর্গ করলাম”।
-
-

মেয়েটি বলল, “উৎসর্গ করতে হবে না, এখনো ২টা প্যারাসুট-ই বাকি আছে। জলিল চাচা আমার স্কুল ব্যাগ নিয়ে লাফ দিয়েছে !!!!!!!!!!!!!!!!!

####

অফিসের বস মিটিংয়ে ব্যাস্ত অবস্থায় চাকর কে বলল চা দিতে। চাকর চা নিয়ে আসছে হটাত বস দেখল চাকর চায়ের ভিতরএকটা আঙ্গুল ডুবিয়ে রেখেছে।

বস মহা ব্যাস্ততার ভিতর ভুলে গিয়ে চা খেয়ে নিল। পরে মনে হল চাকর তো চায়ের ভিতর আঙ্গুল দিয়ে রেখেছিল।

বস ভীষণ রাগে চাকরকে ডাকল। বসঃ তুই আমার চায়ের ভিতর আঙ্গুল দিয়ে রাখছিলি কেন...?

চাকরঃ সার আঙ্গুলে ঘা হয়েছে তাই ডাক্তার বলেছে সব সময় গরম পানির ভিতর ডুবিয়ে রাখতে।

বস রেগে গিয়ে বললঃ আঙ্গুলটা তোর পাছার ভিতর দিয়ে রাখতে পারলি না…???

চাকরঃ সার চায়ের আগে আঙ্গুলটা ওখানেই ছিল।

##### 


বল্টু ক্লাস থ্রীর প্রথম সাময়ীক পরীক্ষার সময় 'কুমির' রচনা শিখেছে। সমস্যা হল এর পর যে পরীক্ষাই আসুক সে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সেই কুমিরের রচনাই লেখে। ... যেমন একবার রচনা এলো "বাবা মায়ের প্রতি সন্তানের কর্তব্য"। তো সে লিখলো- বাবা মা আমাদের জন্ম দেয়। তারা আমাদের লালন পালন করে। কুমিররাও তাই করে। জেনে রাখা ভালো যে, কুমির একটি সরিসৃপ প্রানী। এটি জলে বসবাস করে। এর চোখ গোল গোল। কুমিরের পিঠ খাজ কাটা,
খাজ কাটা, খাজ কাটা, খাজ কাটা...দশ পৃষ্ঠা শেষ। এরপরের পরীক্ষায় রচনা এলো আমার প্রিয় শিক্ষক। সে লিখল- আমার প্রিয় শিক্ষক এর নাম  মোহাম্মদ আসাদ। তার চোখ গুলো গোলগোল। কুমিরেরও চোখ গোল গোল। জেনে রাখা ভালো যে কুমির একটি সরিসৃপ প্রানী। এটি জলে বসবাস করে।
কুমিরের পিঠ খাজ কাটা, খাজ কাটা, খাজ কাটা, খাজ কাটা...দশ পৃষ্ঠা শেষ। শিক্ষক দেখলেন এতো ভারী বিপদ। শেষে তিনি অনেক ভেবে চিন্তে রচনার বিষয় ঠিক করলেন পলাশীর যুদ্ধ। লেখ ব্যাটা, এই বার দেখি কি করে তুই কুমিরের রচনা লিখিস। তো ছাত্র লিখলো- ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে ইংরেজ
এবং বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার মধ্যে যুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিল। এই যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলা তার সেনাপতি মীরজাফর এর উপর ভরসা করে খাল কেটে কুমির এনেছিলেন। জেনে রাখা ভালো যে, কুমির একটি সরিসৃপ প্রানী। এটি জলে বসবাস করে। এর চোখ গোল গোল। কুমিরের পিঠ খাজ কাটা, খাজ কাটা, খাজ কাটা, খাজ কাটা...দশ পৃষ্ঠা শেষ!
 

####

বাইরে থেকে দরজা নক করছে-
ভেতর থেকে : কে?
বাইরে থেকে : আমি।
ভেতর থেকে : আমি কে?
বাইরে থেকে : আরে, আপনি কে আমি কী করে বলব?

###

বল্টুর বাবা আর বল্টু মার্কেটে গেছে ।
হঠাত্‍ ছেলে দেখে বাপের প্যান্টের চেইন খোলা !
বল্টু : বাবা,বাবা তোমার প্যান্টের চেন খোলা !
বাবা : স্টুপিড, এভাবে বলতে নেই । বলতে হয়, "তোমার মেকআপ বক্স খোলা"
পরের দিন একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি--
বল্টু : বাবা,তোমার লিপস্টিক বের হয়ে গেছে !

###

বল্টু : স্যার "নাটুরে" শব্দের অর্থ কি ?
(স্যার উত্তর জানেনা) স্যার : আচ্ছা, তোকে কাল জানাচ্ছি।
(অনেক খোঁজার পরেও সার উত্তর পেলনা। তাই কিছুদিন পর.......)
স্যার : আচ্ছা তোর এই নাটুরের বানানটা কি ?
বল্টু : NATURE 

স্যার : হারামজাদা ন্যাচারকে নাটুরে বইলা তুই আমারে এতোদিন ঘুরাইছো। দারা তোর টিছির ব্যাবস্থা করতাছি। .
.
.
.
.
. .
.
.
.
.
. বল্টু : এমনকাজ করবেন না স্যার!! তাহলে আমার "ফুটুরে" (FUTURE) নষ্টো হইয়া যাইবো।

###

ছাত্র : স্যার, একটা কথা বলবো?
শিক্ষক : কী বলবে বলো?
ছাত্র : আমার খুব লজ্জা লাগছে।
শিক্ষক : লজ্জার কী আছে, বল?
ছাত্র : আস্তে বলব না জোরে বলব স্যার?
শিক্ষক : আরে বেটা, যা বলবি জোরে বল। সবাই শুনুক।
ছাত্র : স্যার, আপনার প্যান্টের চেইন খোলা।
শিক্ষক : ওরে বেটা, আস্তে কঅ!

###

একদিন এক পাগল ডাক্তার কে জিজ্ঞেস করল!
পাগল : ডাক্তার সাব আপনি কতদুর পড়েছেন?
ডাক্তার : B A পর্যন্ত !
/
/
/
/
/
পাগল: সালা এতদিনে ২ টা অক্ষর শিকছস, তাও আবার উল্টা
 

###

আমার চীনের এক বন্ধু অনেক অসুস্থ ছিল, হাসপাতালে দেখতে গেলাম আমি।

আমি যখন তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম, সে বারবার ফিসফিসিয়ে বলল—

ইয়াং শি গুয়ান…ইয়াং শি গুয়ান…ইয়াং শি গুয়ান...

এরপর সে মারা গেল। বাসায় ফিরে আমি তার কথাটি গুগলে সার্চ দিয়ে দেখলাম, এর অর্থ—তুমি আমার অক্সিজেন টিউবের ওপর দাঁড়িয়ে আছ!